টিউটর সার্ভিসে এজেন্সি মডেলের চেয়ে লার্নটাইম মডেল অধিক কার্যকর 

আসুন জেনে নেওয়া যাক এজেন্সি মডেল আসলে কী?  

এজেন্সি মডেল মূলত কাজ করে নতুন টিউটর এবং নতুন স্টুডেন্টদের মধ্যে মধ্যস্ততাকারী হিসেবে । তারা বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যমে নতুন টিউটর নিয়োগ দিয়ে থাকে এবং এর বিনিময়ে টিউটরের কাজ থেকে কিছু মুনাফা অর্জন করে। কিন্তু পড়ানোর ব্যাপারে তাদের কোন দায়বদ্ধতা নেই। টিউটর নিয়োগ দেওয়ার সাথে সাথে তাদের দায়িত্ব শেষ তবে টিউটর যদি খারাপ পড়ায় তাহলে এই টিউটরকে বাদ দিয়ে আরেক জন নতুন টিউটর নিয়োগ দেয় এতে তাদের আয় বেশি হয়। এই জন্য তারা ভালো টিউটর সার্ভিস দিতে অক্ষম। 

অন্য দিকে লার্নটাইম মডেল যেভাবে কাজ করে তাহল প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য একজন করে টিউটর নিয়োগ দিয়ে গুণগত মানসম্পন্ন শিক্ষাদান কার্যক্রম নিশ্চিত করণে সামগ্রীক কার্যক্রম একটি প্রতিষ্ঠিত টিম দ্বারা পরিচালনা করা। এই মডেলের আওতায় যত শিক্ষার্থী আছে তাদের শিক্ষাদান কার্যক্রমে কোন ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে এর দায়বার প্রতিষ্ঠানের টিম গ্রহণ করে এবং সাথে সাথে তা সমাধানে সদা তৎপর থাকে।লার্নটাইম টিউটরের কোন দুর্বলতা বা অক্ষমতা থাকলে তাকে লার্নটাইমের স্পেশাল ট্রেনিং এর আওতায় এনে দক্ষ করে গড়ে তুলা হয়। তবে লার্নটাইমের প্রত্যেক টিউটর শিক্ষার্থী বুঝার সক্ষমতা এবং ধারণ ক্ষমতা সহজে বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য আলাদা আলাদা শিক্ষাদান পদ্ধতি প্রয়োগ করে থাকে যার ফলে সকল শিক্ষার্থী সমান পারদর্শী হয়ে উঠে।

লার্নটাইম বিশ্বাস করে সবার শেখার এবং বুঝার ধরণ এক নয়। একই পদ্ধতিতে সবাই বুঝবেনা। তাই প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য আলাদা আলাদা কৌশল অনুসরণ করতে হবে। যে শিক্ষার্থী যে কৌশলে ভালো বুঝবে সেই শিক্ষার্থীর জন্য সেই কৌশল প্রয়োগ করতে হবে। তাই লার্নটাইম তার টিউটর বা শিক্ষকদেরকে স্পেশাল ট্রেনিং প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর জন্য উপযোগী করে গড়ে তুলে।  

0 Shares:
Leave a Reply

Your email address will not be published.

You May Also Like
Read More

অল্প সময়ের মধ্যে লার্নটাইমের সাফল্য অর্জনের কারণ

লার্নটাইম ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে বিশ্বের ১৫ টি দেশে তাদের কার্যক্রম পৌঁছে দিয়েছে।…